ফুটবল খেলার নিয়মাবলী: ফুটবল খেলার আইন কয়টি, রেফারির নিয়ম

Dr. Md. Sekender Ali
Dr. Md. Sekender Ali
I am Md Sekender Ali, a Food and Nutrition Specialist passionate about promoting health through science-based nutrition. With expertise in clinical nutrition, diet planning, and counseling, I help individuals achieve better health outcomes through personalized guidance. My work spans nutritional assessment, weight management programs, and medical nutrition therapy (MNT).

Dr. Md. Sekender Ali
Dr. Md. Sekender Ali
I am Md Sekender Ali, a Food and Nutrition Specialist passionate about promoting health through science-based nutrition. With expertise in clinical nutrition, diet planning, and counseling, I help individuals achieve better health outcomes through personalized guidance. My work spans nutritional assessment, weight management programs, and medical nutrition therapy (MNT).

ফুটবল খেলার নিয়মাবলী প্রতিটি ম্যাচকে সুষ্ঠু, নিরাপদ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (IFAB) কর্তৃক নির্ধারিত এই নিয়মগুলোকে বলা হয় ফুটবল খেলার আইন, যার সংখ্যা মোট ১৭টি।

প্রতিটি আইন মাঠের আকার, খেলোয়াড়ের সংখ্যা, সরঞ্জাম, ফাউল, পেনাল্টি থেকে শুরু করে রেফারির সিদ্ধান্ত পর্যন্ত সব কিছু নির্ধারণ করে।

রেফারি এই নিয়ম অনুযায়ী খেলা পরিচালনা করেন এবং ন্যায্য সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেন। ফুটবল খেলার আইন ও রেফারির নিয়ম সম্পর্কে জানা থাকলে খেলার মজা ও বোঝাপড়া উভয়ই অনেকগুণ বাড়ে।

Table of Contents

ফুটবল খেলার আইন কয়টি?

ফুটবল খেলার মোট ১৭টি আইন (Laws of the Game) রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (IFAB) কর্তৃক নির্ধারিত।

এই আইনগুলো খেলার নিয়ম, মাঠ, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের দায়িত্বসহ পুরো ম্যাচ পরিচালনার কাঠামো নির্ধারণ করে।

ক্রমআইনের নামসংক্ষিপ্ত বর্ণনা
খেলার মাঠ (The Field of Play)মাঠের আকার, চিহ্ন, গোলপোস্ট ও সীমানা নির্ধারণের নিয়ম।
বল (The Ball)বলের আকৃতি, আকার, ওজন ও মান নির্ধারণ।
খেলোয়াড় (The Players)প্রতিটি দলের খেলোয়াড় সংখ্যা ও পরিবর্তনের নিয়ম।
খেলোয়াড়ের সাজ-সরঞ্জাম (The Players’ Equipment)খেলোয়াড়ের পোশাক, জুতা ও সুরক্ষা সরঞ্জামের নিয়ম।
রেফারি (The Referee)রেফারির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও সিদ্ধান্তের নিয়মাবলি।
অন্যান্য কর্মকর্তা (The Other Match Officials)সহকারী রেফারি ও অন্যান্য কর্মকর্তার দায়িত্ব।
খেলার সময়কাল (The Duration of the Match)ম্যাচের সময়, অতিরিক্ত সময় ও বিরতির নিয়ম।
খেলা শুরু ও পুনঃশুরু (The Start and Restart of Play)কিক-অফ, ড্রপ-বল ইত্যাদির মাধ্যমে খেলা শুরু ও পুনরারম্ভের নিয়ম।
বল খেলার ভিতরে ও বাইরে (The Ball In and Out of Play)কখন বল খেলার মধ্যে থাকবে বা বাইরে যাবে তার নিয়ম।
১০ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ (Determining the Outcome of a Match)গোল গণনা, টাইব্রেকার ও বিজয়ী নির্ধারণের নিয়ম।
১১অফসাইড (Offside)খেলোয়াড়ের অবস্থান ও অফসাইড পরিস্থিতির নিয়ম।
১২ফাউল ও অসদাচরণ (Fouls and Misconduct)অপরাধমূলক কার্যকলাপ ও তার শাস্তির নিয়ম।
১৩ফ্রি কিক (Free Kicks)সরাসরি ও পরোক্ষ ফ্রি কিকের নিয়ম।
১৪পেনাল্টি কিক (The Penalty Kick)পেনাল্টি স্পট থেকে শট নেওয়ার নিয়মাবলি।
১৫নিক্ষেপ (The Throw-In)বল বাইরে গেলে পুনরায় খেলা শুরু করার পদ্ধতি।
১৬গোল কিক (The Goal Kick)ডিফেন্ডিং দলের গোল লাইন থেকে খেলা শুরুর নিয়ম।
১৭কর্নার কিক (The Corner Kick)আক্রমণকারী দলের কর্নার থেকে খেলা শুরু করার নিয়ম।

ফুটবল খেলার নিয়ম কানুন PDF

ফুটবল খেলার নিয়মকানুন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান? তাহলে আপনি পিডিএফ (PDF) ফরম্যাটে নিয়মগুলো ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এতে আপনি যখন খুশি, যেখানে খুশি নিয়মগুলো দেখতে পারবেন।

ফুটবল খেলার মূল নিয়মকানুন (Basic Rules of Football)

ফুটবল খেলার কিছু মৌলিক নিয়ম আছে, যা প্রতিটি খেলোয়াড় এবং দর্শকের জন্য জানা অত্যাবশ্যক। নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম আলোচনা করা হলো:

খেলোয়াড়ের সংখ্যা

প্রতি দলে ১১ জন করে খেলোয়াড় থাকে, যার মধ্যে একজন গোলকিপার। গোলকিপারের কাজ হলো গোলপোস্ট রক্ষা করা।

খেলার সময়

একটি ফুটবল ম্যাচ সাধারণত ৯০ মিনিটের হয়। এই সময়কে ৪৫ মিনিটের দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মাঝে ১৫ মিনিটের বিরতি থাকে। রেফারি ইনজুরি বা অন্য কোনো কারণে খেলা বন্ধ থাকলে অতিরিক্ত সময় ( stoppage time ) দিতে পারেন।

কিভাবে গোল হয়

যখন বল সম্পূর্ণরূপে গোললাইনের ভেতর দিয়ে যায় এবং গোলপোস্টের মধ্যে থাকে, তখনই গোল হিসেবে গণ্য করা হয়।

ফাউল ও ফ্রি কিক

ফুটবল খেলায় ফাউল একটি সাধারণ ঘটনা। যখন কোনো খেলোয়াড় ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে ধাক্কা দেয়, লাথি মারে বা অন্য কোনো অবৈধ কাজ করে, তখন ফাউল হয়। ফাউলের কারণে বিপক্ষ দল ফ্রি কিক পায়।

ফাউলের প্রকারভেদ

ফাউল বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন:

  • সাধারণ ফাউল: ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিপক্ষকে বাধা দেওয়া বা ধাক্কা মারা।
  • পেনাল্টি ফাউল: পেনাল্টি এরিয়ার মধ্যে ফাউল করলে পেনাল্টি কিক দেওয়া হয়।
  • অফসাইড: এটি একটি জটিল নিয়ম, যা আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের অবস্থান এবং পাসের ওপর নির্ভর করে।

অফসাইড নিয়ম

অফসাইড একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, যা খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করে। যখন কোনো আক্রমণভাগের খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের শেষ ডিফেন্ডারের চেয়ে গোলপোস্টের কাছাকাছি অবস্থান করে এবং তার কাছে বল আসে, তখন অফসাইড হয়। তবে, এর কিছু ব্যতিক্রম আছে।

অফসাইড কখন হয় না?

  • যদি খেলোয়াড় নিজের অর্ধে থাকে।
  • যদি বল থ্রো-ইন, গোল কিক বা কর্নার কিক থেকে আসে।

পেনাল্টি কিক

পেনাল্টি কিক একটি দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। যখন কোনো খেলোয়াড় পেনাল্টি এরিয়ার মধ্যে ফাউল করে, তখন বিপক্ষ দল পেনাল্টি কিক পায়। পেনাল্টি স্পট থেকে গোল করার সুযোগ থাকে এবং এখানে গোলকিপারকে পরাস্ত করতে পারলেই গোল!

থ্রো-ইন, কর্নার কিক ও গোল কিক

  • থ্রো-ইন: যখন বল মাঠের বাইরে যায়, তখন যে দল বলটি শেষ পর্যন্ত স্পর্শ করেনি, সেই দল থ্রো-ইন করে।
  • কর্নার কিক: যখন কোনো ডিফেন্ডার গোললাইন থেকে বল মাঠের বাইরে পাঠায়, তখন বিপক্ষ দল কর্নার কিক পায়।
  • গোল কিক: যখন কোনো আক্রমণভাগের খেলোয়াড় গোললাইন থেকে বল মাঠের বাইরে পাঠায়, তখন গোলকিপার গোল কিক করে।

ফুটবল খেলার রেফারির নিয়ম কানুন

ফুটবল খেলায় রেফারির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি খেলার নিয়মকানুন পরিচালনা করেন এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখেন।

রেফারির দায়িত্ব

রেফারির প্রধান কাজগুলো হলো:

  • খেলার নিয়মকানুন অনুসরণ করা এবং নিশ্চিত করা।
  • ফাউল চিহ্নিত করা এবং শাস্তি দেওয়া।
  • খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা।
  • সময় গণনা করা এবং অতিরিক্ত সময় দেওয়া।

সহকারী রেফারি

রেফারিকে সাহায্য করার জন্য দুজন সহকারী রেফারি থাকেন, যারা মাঠের দুই পাশে অবস্থান করেন। তারা অফসাইড, থ্রো-ইন এবং অন্যান্য বিষয়ে রেফারিকে সাহায্য করেন।

ভার (VAR)

আধুনিক ফুটবলে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভার) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এটি মাঠের রেফারিকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে, বিশেষ করে গোল, পেনাল্টি এবং লাল কার্ডের ক্ষেত্রে।

ফুটবল খেলার কিছু অতিরিক্ত নিয়ম (Additional Football Rules)

উপরে আমরা ফুটবল খেলার মূল নিয়মগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। এখানে আরও কিছু নিয়ম আলোচনা করা হলো, যা আপনার ফুটবল জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

হলুদ কার্ড ও লাল কার্ড

ফুটবল খেলায় খেলোয়াড়দের সতর্ক করার জন্য হলুদ কার্ড এবং মাঠ থেকে বহিষ্কার করার জন্য লাল কার্ড ব্যবহার করা হয়।

  • হলুদ কার্ড: সাধারণত গুরুতর ফাউল, ইচ্ছাকৃতভাবে খেলা বন্ধ করা বা রেফারির সঙ্গে অসদাচরণের জন্য দেখানো হয়। একটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেলে একজন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো হয়।
  • লাল কার্ড: গুরুতর ফাউল, সহিংস আচরণ বা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিপক্ষের গোল করার সুযোগ নষ্ট করার জন্য দেখানো হয়। লাল কার্ড পেলে খেলোয়াড়কে সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছাড়তে হয় এবং তার দল বাকি সময় একজন কম খেলোয়াড় নিয়ে খেলে।

ইনজুরি টাইম

খেলার সময় কোনো খেলোয়াড় আহত হলে বা অন্য কোনো কারণে খেলা বন্ধ থাকলে, রেফারি অতিরিক্ত সময় (ইনজুরি টাইম) যোগ করেন। এই সময় সাধারণত ম্যাচের শেষে যোগ করা হয়।

ফুটসাল ফুটবল খেলার নিয়ম

ফুটসাল হলো ইনডোর ফুটবল। এর নিয়মকানুন কিছুটা ভিন্ন। ফুটসাল খেলার নিয়মগুলো হলো:

  • মাঠ ছোট হয়।
  • খেলোয়াড়ের সংখ্যা কম (সাধারণত ৫ জন)।
  • খেলার সময় কম (২০ মিনিটের দুটি ভাগ)।
  • কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন ফাউলের নিয়ম প্রযোজ্য।

বাংলাদেশ ফুটবল খেলার নিয়ম

বাংলাদেশে ফুটবল খেলার নিয়ম আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন অনুসরণ করেই পরিচালিত হয়। তবে, কিছু স্থানীয় টুর্নামেন্টে কিছু বিশেষ নিয়ম দেখা যায়, যা আয়োজকরা নির্ধারণ করে থাকেন।

ফুটবল খেলার কৌশল (Football Strategies)

ফুটবল খেলা শুধু নিয়ম জানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর কিছু কৌশলও রয়েছে যা খেলোয়াড়দের ভালো খেলতে সাহায্য করে।

ফরমেশন

ফরমেশন হলো খেলোয়াড়দের মাঠে অবস্থানের একটি বিশেষ কাঠামো। কিছু জনপ্রিয় ফরমেশন হলো:

  • ৪-৪-২: চারজন ডিফেন্ডার, চারজন মিডফিল্ডার ও দুইজন ফরোয়ার্ড।
  • ৪-৩-৩: চারজন ডিফেন্ডার, তিনজন মিডফিল্ডার ও তিনজন ফরোয়ার্ড।
  • ৩-৫-২: তিনজন ডিফেন্ডার, পাঁচজন মিডফিল্ডার ও দুইজন ফরোয়ার্ড।

পাসিং

পাসিং হলো দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বল আদান-প্রদান করার কৌশল। ভালো পাসিংয়ের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে গোল করার সুযোগ তৈরি করা যায়।

ড্রিিবলিং

ড্রিিবলিং হলো বল নিয়ন্ত্রণ করে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের কাটিয়ে आगे যাওয়া। ভালো ড্রিিবলিং খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং আক্রমণ তৈরি করতে সাহায্য করে।

ফুটবল খেলার মাঠ (The Football Field)

ফুটবল খেলার মূল ক্ষেত্র হচ্ছে মাঠ। এই মাঠের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, যা খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য জানা খুব জরুরি।

মাঠের আকার

ফুটবল মাঠ সাধারণত আয়তাকার হয়ে থাকে। এর দৈর্ঘ্য সাধারণত ৯০ থেকে ১২০ মিটার (১০০ থেকে ১৩০ গজ) এবং প্রস্থ ৪৫ থেকে ৯০ মিটার (৫০ থেকে ১০০ গজ) পর্যন্ত হয়। আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর জন্য মাঠের আকার একটু নির্দিষ্ট করে দেওয়া থাকে – দৈর্ঘ্য ১০৫ মিটার এবং প্রস্থ ৬৮ মিটার।

মাঠের বিভিন্ন অংশ

মাঠের বিভিন্ন অংশগুলো হলো:

  • গোলপোস্ট: মাঠের দুই প্রান্তে দুটি করে গোলপোস্ট থাকে। এই গোলপোস্টের মধ্যে দিয়ে বল গেলেই গোল হিসেবে গণ্য করা হয়।
  • গোল এরিয়া: গোলপোস্টের সামনে ছোট একটি আয়তাকার এলাকা থাকে, এটি গোল এরিয়া নামে পরিচিত।
  • পেনাল্টি এরিয়া: এটি গোল এরিয়ার চেয়ে বড় এবং এই এলাকার মধ্যে ফাউল করলে পেনাল্টি কিক দেওয়া হয়।
  • সেন্টার সার্কেল: মাঠের ঠিক মাঝখানে একটি বৃত্ত থাকে, যা সেন্টার সার্কেল নামে পরিচিত। এখান থেকেই খেলার শুরু হয়।

ফুটবল খেলার গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস (Important Football Tips)

ফুটবল খেলায় ভালো করার জন্য কিছু টিপস অনুসরণ করতে পারেন:

  • নিয়মিত অনুশীলন করুন।
  • শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখুন।
  • দলের সঙ্গে ভালো সমন্বয় রাখুন।
  • কোচের নির্দেশনা মেনে চলুন।
  • খেলার নিয়মকানুন সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন।

ফুটবল খেলার কিছু মজার তথ্য (Fun Facts About Football)

ফুটবল খেলা সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য জেনে নিন:

  • বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল।
  • ফুটবল বিশ্বকাপ প্রতি চার বছর পর অনুষ্ঠিত হয়।
  • ব্রাজিল সবচেয়ে বেশিবার (৫ বার) বিশ্বকাপ জিতেছে।
  • পেলে ও ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তি ফুটবলার এই খেলাকে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় করেছেন।

শেষ কথা

ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটা একটা আবেগ। এই খেলার নিয়মকানুন জানা থাকলে খেলাটি আরও বেশি উপভোগ করা যায়। আশা করি, এই ব্লগপোস্টটি আপনাদের ফুটবল খেলার নিয়ম সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছে।

Dr. Md. Sekender Ali
Dr. Md. Sekender AliI am Md Sekender Ali, a Food and Nutrition Specialist passionate about promoting health through science-based nutrition. With expertise in clinical nutrition, diet planning, and counseling, I help individuals achieve better health outcomes through personalized guidance. My work spans nutritional assessment, weight management programs, and medical nutrition therapy (MNT).

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top